Home / স্বাস্থ্য কথা / স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল ও ত্বক মাত্র একটি উপাদানের সাহায্যেই

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল ও ত্বক মাত্র একটি উপাদানের সাহায্যেই

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল ও ত্বকের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করে কলা, চলুন তবে চট করে জেনে নিই কীভাবে কলার সাহায্যে ত্বক ও চুলের পরিচর্যা করবেন-

ত্বক নরম ও মোলায়েম করতে
আপনার ত্বক যদি খুব শুষ্ক ও রুক্ষ হয়, তাহলে একটি কলা আপনার বেশ উপকারে আসবে। একটি ছোট বাটিতে পাকা কলা চটকে নিন। এবার এটি পুরো মুখে আলতোভাবে মাখুন। পনেরো মিনিটের মতো রেখে দিন, অতঃপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন কতোটা মোলায়েম লাগছে নিজের ত্বক।

জেদি চুলের জন্য
কলায় প্রাকৃতিক তেল থাকে যেটি রুক্ষ চুলের জন্য জাদুর মতো কাজ করে। একটি হেয়ার প্যাক তৈরি করতে পারেন পাকা কলা, দু’চামচ মুলতানি মাটি ও অর্ধেক লেবুর রস দিয়ে। এবার এটি পুরো চুলে মাখুন। ৩০-৪০ মিনিট রাখুন ও ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন নিমিষেই আপনার চুল খুব নরম ও ঝলমলে হয়ে গিয়েছে।

প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার
কলা বহুল জনপ্রিয় প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে পরিচিত। এর সাহায্যে আপনি পছন্দমতন সতেজ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক পাবেন। পাকা কলা চটকে আর সঙ্গে মধু এবং লেবুর রস মেশান। ভালোমতন মিশিয়ে ত্বকে লাগান। বিশ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মধু ও কলার সংমিশ্রণে আপনার ত্বক শুধু সতেজই নয় বরং উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে
কলার তৈরি হেয়ার মাস্ক শুধুমাত্র চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে না বরং চুলে পুষ্টিও যোগাবে। পাকা কলা চটকে তার সঙ্গে দু’টেবিল চামচ টক দই মেশান এবং পুরো চুলে মাখিয়ে ফেলুন। বিশ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এক সপ্তাহ পর পর এ ট্রিটমেন্ট করুন এবং নিজের চোখেই পরিবর্তন দেখুন।

চোখ-মুখের ফোলাভাব দূর করতে
শুধুমাত্র ফলই নয়, কলার খোসাও বেশ উপকারী। এতে পটাশিয়াম থাকে যার মাধ্যমে চোখ-মুখের ফোলাভাব দূর হয়। কলার খোসা নিয়ে চোখের নীচে ঘষুন। প্রতি রাতে ঘুমোবার আগে পাঁচ মিনিট এটি করুন এবং ধুয়ে ফেলুন প্রচুর পানি দিয়ে।

খুশকি এবং চুল পড়া কমাতে
ইতোমধ্যে নিশ্চয়ই জেনে গিয়েছেন যে কলা ময়েশ্চারাইজার হিসেবে বেশ উত্তম। যেহেতু শুষ্ক তালু খুশকি এবং চুল পড়ার জন্য দায়ী, সেহেতু মাথার ত্বকে কলা ব্যবহার করতে পারেন। সঙ্গে নারিকেল দুধ মিশিয়ে নিলে আরো ভালো ফলাফল পাবেন।

ব্রণ দূর করতে
কলার খোসায় ভিটামিন এ,বি,সি এবং ই থাকে। এগুলো মুখের ব্রণ সারাতে যথেষ্ট উপকার করে। এতে পটাশিয়াম ও আয়রন ও থাকে যেটি ব্রণ দূর করায় পারদর্শী। একেবারে প্রাকৃতিক উপায়ে মুখের ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে হলে সপ্তাহে দু’বার কলার খোসা মুখে ব্যবহার করতে পারেন।

এবার আপনিই ঠিক করুন, ত্বক ও চুলের যেকোন সমস্যা সমাধানে কলা ব্যবহার করবেন কী না। ফলাফল আপনার সামনেই!

সূত্র: Vagabomb

Comments

comments

Check Also

শ্বেতী কী? কেন হয়? কী করবেন?

ত্বকের একটি অদ্ভুত রোগ হল শ্বেতী। তবে এটি মোটেই ভয়াবহ রোগ নয়! এটির সম্পর্কে অজ্ঞতার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *